বাংলাদেশ থেকে EPS-TOPIK (দক্ষিণ কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা) দিতে হলে নিবন্ধন করতে হয় শুধু বোয়েসেলের (BOESL) মাধ্যমে — প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি সংস্থা। ২০২৬ সালে বোয়েসেল ২০,০০০ জন প্রার্থীর নিবন্ধন নিয়েছে এবং পরীক্ষা (কম্পিউটারে, ঢাকায়) ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে। খরচ ৪,০০০ টাকা (পরীক্ষার ফি ৩,৫০০ + অনলাইন নিবন্ধন ফি ৫০০) এবং বিকাশ চার্জ ৪৬ টাকা। বয়স ১৮ থেকে ৩৯ বছর, শিক্ষা কমপক্ষে এসএসসি বা সমমান। ২০০ নম্বরের মধ্যে ১২০-এর বেশি পেলে মেধাক্রমে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকে।
⚠️ এই লেখা ২৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বোয়েসেল ও HRD Korea-র প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে। পরের নিবন্ধনের তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি — নিবন্ধনের আগে অবশ্যই বোয়েসেলের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
EPS-TOPIK কী — এবং কেন এটি চাকরির নিশ্চয়তা নয়
EPS (Employment Permit System) হলো দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের বিদেশি কর্মী নিয়োগ পদ্ধতি। বাংলাদেশ এই কর্মসূচির ১৭টি দেশের একটি। পরীক্ষা পরিচালনা করে কোরিয়ার সরকারি সংস্থা HRD Korea (হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস অব কোরিয়া), আর বাংলাদেশে নিবন্ধন থেকে কর্মী পাঠানো পর্যন্ত সব কাজ করে বোয়েসেল।
ধাপগুলো এমন:
- বোয়েসেলের মাধ্যমে নিবন্ধন করে কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা (প্রথম রাউন্ড, UBT) দেওয়া
- দ্বিতীয় রাউন্ড — দক্ষতা পরীক্ষা (স্কিল টেস্ট) ও কম্পিটেন্সি টেস্ট
- চূড়ান্ত ফলাফলের পর জব রোস্টারে নাম ওঠা
- কোরিয়ার নিয়োগকর্তা রোস্টার থেকে ১:৩ অনুপাতে দৈবচয়ন (Random Selection) পদ্ধতিতে পাওয়া তিনজনের মধ্যে একজনকে বেছে নেন
- চুক্তি, প্রশিক্ষণ, ভিসা (E-9) এবং কোরিয়া যাত্রা
জব রোস্টারে নাম ওঠা মানেই চাকরি পাওয়া নয়। বোয়েসেল নিজেই বিজ্ঞপ্তিতে লিখেছে, এটি চাকরির প্রক্রিয়ার একটি ধাপ মাত্র। নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে কোনো নিয়োগকর্তা না বাছলে নাম রোস্টার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (Delete) হয়ে যায়।
২০২৬ সালের নিবন্ধন — কী হয়েছিল
বোয়েসেল ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞপ্তি দেয়: «২০২৭ সালের শেষার্ধে রোস্টারভুক্তির লক্ষ্যে» কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা। HRD Korea-র ওয়েবসাইটে এর নাম The 13th recruitment of the point system in Bangladesh। মোট কোটা ২০,০০০ জন, আর উৎপাদন (Manufacturing) খাতে ২,০০০ জনকে রোস্টারভুক্ত করার লক্ষ্য।
নিবন্ধন হয়েছিল দুই পর্যায়ে:
| পর্যায় | কারা আবেদন করতে পেরেছেন | জন্ম তারিখ | নিবন্ধনের সময় |
|---|---|---|---|
| ১ম | ১ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে জব রোস্টার থেকে ডিলিট হওয়া প্রার্থী (উৎপাদন, নির্মাণ, মৎস্য ও জাহাজ নির্মাণ খাত) | ১১ জুলাই ১৯৮৬ – ১০ জুলাই ২০০৮ | ১০ জুলাই সকাল ১০টা – ১২ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৪টা |
| ২য় | নতুন প্রার্থী — «আগে আসলে আগে পাবেন» (First Come, First Served) | ১৫ জুলাই ১৯৮৬ – ১৪ জুলাই ২০০৮ | ১৪ জুলাই সকাল ১০টা – ১৬ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৪টা |
একজন প্রার্থী শুধু একটি পর্যায়ে আবেদন করতে পারতেন — দুই জায়গায় করলে নিবন্ধন বাতিল। কোটা পূরণ হলে নিবন্ধন সিস্টেম নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়।
| ঘটনা | তারিখ |
|---|---|
| পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা | বোয়েসেলের বিজ্ঞপ্তিতে সম্ভাব্য ১৫ আগস্ট; HRD Korea-তে ২৪ আগস্ট ২০২৬ |
| পরীক্ষা | ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত (প্রত্যেকে নিজের নির্ধারিত দিনে) |
| ফলাফল ঘোষণা | ২৮ ডিসেম্বর ২০২৬ (HRD Korea-র তালিকা অনুযায়ী) |
যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
বোয়েসেলের ২০২৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী:
- - কোরিয়ান ভাষা পড়া, লেখা ও বোঝার মৌলিক দক্ষতা
- - ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমান
- - বয়স ১৮ থেকে ৩৯ বছর
- - পাসপোর্ট নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত বৈধ থাকতে হবে (২০২৬ সালে: কমপক্ষে ১৬ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত)
- - পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম, জন্ম তারিখ ও ছবি মিলতে হবে
- - 3D (Dirty, Difficult, Dangerous) ধরনের কাজ করার মানসিকতা
- - কালার ব্লাইন্ডনেস (রং চিনতে সমস্যা) থাকা যাবে না
অযোগ্য বলে গণ্য হবেন:
- - মাদকাসক্ত বা সিফিলিসে আক্রান্ত ব্যক্তি
- - ফৌজদারি অপরাধে জেল বা অন্য শাস্তি পাওয়া ব্যক্তি
- - দক্ষিণ কোরিয়ায় অবৈধভাবে থেকেছেন এমন ব্যক্তি
- - দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তি
- - E-9 বা E-10 ভিসায় কোরিয়ায় ৫ বছরের বেশি থেকেছেন এমন ব্যক্তি
ফি — পরীক্ষার আগে ও কোরিয়া যাওয়ার আগে
পরীক্ষার জন্য: HRD Korea ১৭টি দেশের জন্য ভাষা ও স্কিল টেস্টের ফি ২৮ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে — বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩,৫০০ টাকা। এর সঙ্গে বোয়েসেলের অনলাইন নিবন্ধন ফি ৫০০ টাকা। মোট ৪,০০০ টাকা + বিকাশ চার্জ ৪৬ টাকা, বিকাশ অ্যাপে দিতে হয়। এই ফি ফেরত দেওয়া হয় না। ফি দেওয়ার পর নিবন্ধন পোর্টাল থেকে Admit Card (প্রবেশপত্র) ডাউনলোড করা যায় — এর জন্য Submission ID লাগে, তাই এটি যত্ন করে রেখে দিন।
চাকরি পাওয়ার পর (কোরিয়া যাওয়ার আগে): বোয়েসেলের ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কোরিয়াগামী কর্মীদের মোট খরচ:
| বিবরণ | টাকা |
|---|---|
| ভিসা আবেদন কেন্দ্রের VFS সার্ভিস ফি | ২,১৫০ |
| দূতাবাসের ভিসা ফি (৬০ মার্কিন ডলার) | ৭,৫০০ |
| বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ | ৩০,০০০ |
| সার্ভিস চার্জের ওপর ১৫% ভ্যাট | ৪,৫০০ |
| বহির্গমন ছাড়পত্রের কল্যাণ তহবিল ফি | ৫,৫০০ (আগে ৩,৫০০) |
| বহির্গমন ছাড়পত্রের উৎসে আয়কর | ৮০০ |
| প্রবাসী কর্মী বীমা ফি | ১,০০০ |
| মোট | ৫১,৪৫০ |
এই টাকা সোনালী ব্যাংকের মগবাজার শাখা থেকে «বোয়েসেল, ঢাকা»-র নামে পে-অর্ডার করে দিতে হয়। প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা পে-অর্ডার লাগে — রি-এন্ট্রি কমিটেড কর্মীদের ৩,২০০ টাকা, সাধারণ ও স্পেশাল সিবিটি কর্মীদের ৬,০০০ টাকা।
এর বাইরে কাউকে টাকা দেওয়ার দরকার নেই। «লটারি পাইয়ে দেব», «নম্বর বাড়িয়ে দেব», «রোস্টারে আগে নাম তুলে দেব» — এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া দালালদের এড়িয়ে চলুন। বোয়েসেল স্পষ্ট লিখেছে, কোনো সুপারিশ বা তদবির গ্রহণযোগ্য নয়।
পরীক্ষার ধরন (প্রথম রাউন্ড)
| অংশ | প্রশ্ন | নম্বর | সময় |
|---|---|---|---|
| রিডিং (পঠন) | ২০ | ১০০ | ২৫ মিনিট |
| লিসেনিং (শ্রবণ) | ২০ | ১০০ | ২৫ মিনিট |
| মোট | ৪০ | ২০০ | ৫০ মিনিট |
- - সব প্রশ্ন বহুনির্বাচনী (MCQ); রিডিং আর লিসেনিংয়ের মাঝে কোনো বিরতি নেই।
- - প্রশ্ন আসে HRD Korea-র প্রকাশিত «EPS-TOPIK স্ট্যান্ডার্ড টেক্সটবুক»-এর ভিত্তিতে তৈরি অপ্রকাশিত প্রশ্ন ব্যাংক থেকে।
- - পরীক্ষা কেন্দ্র: ইপিএস-টপিক সিবিটি সেন্টার, এম ফ্লোর, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২ ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-১০০০।
- - দিনে চারটি সেশন। প্রত্যেককে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোয়েসেলের ব্রিফিং রুমে আইডেন্টিটি চেক করাতে হয় — দেরি হলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না।
- - সঙ্গে আনতে হবে প্রবেশপত্র ও মূল পাসপোর্ট — নিবন্ধনে যে পাসপোর্ট ব্যবহার করেছেন সেটিই। ফটোকপি চলবে না।
- - মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল অভিধান, কাগজ-কলম ইত্যাদি নিয়ে পরীক্ষা কক্ষে ঢোকা যাবে না। অসদুপায়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল এবং পরবর্তী ৩ বছর UBT-তে অংশ নেওয়া যাবে না।
পাস নম্বর ও দ্বিতীয় রাউন্ড
EPS-TOPIK-এ নির্দিষ্ট «পাস» নম্বর পেলেই সবাই নির্বাচিত হন না। বোয়েসেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০০-র মধ্যে ১২০-এর বেশি পাওয়া প্রার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ নম্বরের ক্রম অনুযায়ী (মেধা তালিকা) আগে থেকে ঠিক করা সংখ্যক প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়। কতজন উত্তীর্ণ হবেন, সেটা HRD Korea পরে ঘোষণা করে। ফলাফল ঘোষণার দিন থেকে ২ বছর কার্যকর থাকে।
প্রথম রাউন্ডে ১২০ পেয়ে কালার ব্লাইন্ড টেস্টে উত্তীর্ণ হলে তবেই দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া যায়:
- - স্কিল টেস্ট — শারীরিক সক্ষমতাসহ কাজের দক্ষতার পরীক্ষা
- - কম্পিটেন্সি টেস্ট — অতিরিক্ত পয়েন্ট: ১ বছরের বেশি কাজের অভিজ্ঞতা (সর্বোচ্চ ৫ পয়েন্ট), অন্যান্য যোগ্যতা (সর্বোচ্চ ২ পয়েন্ট), প্রশিক্ষণ বা শিক্ষাগত যোগ্যতা (সর্বোচ্চ ৩ পয়েন্ট)
২০২৬ সালের পরীক্ষার জন্য বোয়েসেলের সম্ভাব্য সময়সূচি: কম্পিটেন্সি টেস্ট জানুয়ারি ২০২৭, স্কিল টেস্ট ফেব্রুয়ারি ২০২৭, চূড়ান্ত ফলাফল এপ্রিল ২০২৭। বিস্তারিত তারিখ বোয়েসেলের ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হবে।
স্পেশাল (Special) EPS-TOPIK
যাঁরা আগে E-9 ভিসায় কোরিয়ায় কাজ করে ভিসার মেয়াদের মধ্যেই নিজে থেকে দেশে ফিরেছেন, তাঁদের জন্য আলাদা পরীক্ষা। শর্ত পূরণ করলে আগের খাতে আবার যাওয়ার সুযোগ থাকে। নিজে থেকে না ফিরে থাকলে (অর্থাৎ অবৈধভাবে থেকে গেলে) ফল বাতিল হয়।
২০২৬ সালের স্পেশাল পরীক্ষা (বোয়েসেলের ভাষায় «৩০তম রাউন্ড স্পেশাল ইউবিটি») — HRD Korea অনুযায়ী নিবন্ধন ১০–১১ মার্চ, পরীক্ষা ৮ মে, ফলাফল ৮ জুন ২০২৬।
আগের বছরগুলোয় বাংলাদেশে EPS-TOPIK
HRD Korea-র «Announcement of Test Date» তালিকা থেকে:
| বছর | সাধারণ (পয়েন্ট সিস্টেম) | অন্যান্য |
|---|---|---|
| ২০২৩ | ৭ম, ৮ম, ৯ম রাউন্ড; ১০ম (জাহাজ নির্মাণ) | স্পেশাল EPS-TOPIK |
| ২০২৪ | ১১তম (পরীক্ষা ১১ মার্চ – ৪ এপ্রিল); ১২তম (নিবন্ধন ১৭ এপ্রিল – ৩০ মে, পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর ২০২৪ – ২৪ জানুয়ারি ২০২৫) | স্পেশাল (২০ সেপ্টেম্বর); ওয়েল্ডিং দক্ষ কর্মী |
| ২০২৫ | নতুন সাধারণ রাউন্ড নেই | স্পেশাল (২য় দফা পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর); ওয়েল্ডিং দক্ষ কর্মী (মে) |
| ২০২৬ | ১৩তম (পরীক্ষা ১ সেপ্টেম্বর – ২৬ নভেম্বর) | স্পেশাল (৮ মে) |
অর্থাৎ সাধারণ রাউন্ড প্রতি বছর একই সময়ে হয় না — কখনো বছরে কয়েকবার, কখনো একবারও না। তাই পরের নিবন্ধনের জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখাই নিরাপদ।
TOPIK আর EPS-TOPIK এক নয়
ঢাকার কোরিয়ান দূতাবাস যে TOPIK নেয়, সেটা আলাদা পরীক্ষা — দূতাবাস নিজেই বলেছে, TOPIK-এর ফলের সঙ্গে EPS-এর কোনো সম্পর্ক নেই। EPS-এর জন্য TOPIK লাগে না। TOPIK নিয়ে জানতে পড়ুন বাংলাদেশে TOPIK ২০২৭।
প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন
- - EPS-TOPIK স্ট্যান্ডার্ড টেক্সটবুক দিয়েই পড়ুন — প্রশ্ন এর ভিত্তিতেই হয়। বইটি HRD Korea-র ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
- - লিসেনিং প্রতিদিন অনুশীলন করুন — সংখ্যা, দাম, সময় আর কর্মস্থলের নির্দেশ বেশি আসে।
- - নিরাপত্তা চিহ্ন ও কারখানার যন্ত্রপাতির নাম মুখস্থ করুন — রিডিংয়ে প্রায়ই থাকে।
- - ৫০ মিনিটে ৪০টি প্রশ্ন — সময় ধরে অনুশীলন করুন।
TOPIKly-তে EPS স্ট্যান্ডার্ড টেক্সটবুকের পাঠ অনুযায়ী অনুশীলন প্রশ্ন এবং EPS-TOPIK অনুশীলন পরীক্ষা আছে। পরের বিজ্ঞপ্তি আসার আগেই শুরু করুন — নিবন্ধনের দিনগুলোতে পড়ার সময় থাকে না।
সূত্র: বোয়েসেল বিজ্ঞপ্তি — «দক্ষিণ কোরিয়ায় চাকরি প্রত্যাশীদের ২০২৭ সালের শেষার্ধে রোস্টারভুক্তির লক্ষ্যে… নিবন্ধন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা» (স্মারক ৪৯.০২.০০০০.০০৬.০১.০০১.২৬-১৬০, ১ জুলাই ২০২৬) · «কোরিয়াগামী কর্মীদের সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য ফি পুননির্ধারণ» (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) — boesl.gov.bd · HRD Korea — epstopik.hrdkorea.or.kr «Schedule» ও «Announcement of Test Date» (বাংলাদেশ, ২০২৩–২০২৬, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ দেখা)। নিয়ম বদলাতে পারে — আবেদনের আগে বোয়েসেলের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখুন।